ইমেইল : info@crime-flash.com



» মতামত ও কলাম

Thursday 13th of November 2014 অ- অ+

লক্ষন কিন্তু ভালো নয় ! গোলাম মওলা রনি

সরকারী দলের নেতারা হয়তো বলবেন- দেশে এখন দুধ আর মধুর নহর বইছে। মানুষজন তাদের তাবৎ প্রয়োজনীয় জিনিস হাত বাড়ালেই পাচ্ছে এবং ইচ্ছেমতো গলধঃকরণ করছে- মাঝে মধ্যে হজমের প্রয়োজনে দরকারমতো শরাবান তহুরা পান করছে। এই দুনিয়াতে এই মুহুর্তে যদি জান্নাতসম সুখ কোথাও থেকে থাকে তবে তা বাংলাদেশেই বিরাজ করছে। তারা সম্রাট হুমায়ুনকে বার বার স্মরণ করে আর বলে- আদিকালে বাদশাহ হুমায়ুন বাংলাদেশের ধন সম্পত্তির বহর দেখে এদেশকে বলেছিলেন দোজখপুর জান্নাত। অর্থাৎ বিশৃঙ্খলা, অশান্তি ও অরাজকতায় পরিপূর্ন একটি জান্নাতময় দেশ। বাদশাহ বড়ই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের নরনারী, মাছ মাংশ, ফলমূল, শষ্যদানা, নদ নদীর সৌন্দর্য, প্রাচুর্য্য এবং পর্যাপ্ততা দেখে। আর বেওকুফ হয়ে গিয়েছিলেন মানুষজনের অস্থিরতা, বিশ্বাসঘাতকতা, কুটিলতা এবং ক্ষনে ক্ষনে কথা-কাজ এবং দেহ পরিবর্তনের ধরণ দেখে। তাই সরকারী দলের নেতারা বাদশাহ হুমায়ুনকে পুনরায় বাংলাদেশে এসে সবকিছু নতুন করে দেখার আহবান জানাতে চান ঠিক যেমনটি জানিয়েছিলেন তাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি অবশ্য বাদশাহ হুমায়ুনকে কোন আহবান জানাননি- তিনি আহবান জানিয়েছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
কবি গুরু বাঙালীদের আদিখ্যেতা, বাহুল্যতা, অলসতা, নিমর্মতা এবং অমানুষী আচরনে ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে কোলকতা থেকে চলে এলেন শিলাইদহের কুঠিবাড়ীতে। কোন রাজপথ, রেলপথ বা বনভূমি নয়-কবিগুরু এলেন নদীপথে। এখানে এসেও তার হতাশা কমলো না- বরং বাড়লো। স্থানীয় কৃষকদেরকে তিনি নিজের বহুকষ্টে সঞ্চিত ধন সম্পত্তি থেকে ঋন দিলেন। কেউ সেই ঋন ফেরত দিলো না। বরং পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তারা উল্টো কবি গুরুর বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগলো। এরপর কবি মনের দুঃখে চলে গেলেন উত্তর বঙ্গের পতিসরে। সেখানেও একই অবস্থা - কেউ তারে কবিতা রচনা করতে দেয় না। সারাদিন হাউকাউ শোরগোল আর অন্যয্য সব দাবীনামা। কবিগুরু সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি আর সমভূমিতে থাকবেন না- পাহাড়ে চলে যাবেন। দিনাজপুর থেকে প্রথমে শিলিগুড়ি, তারপর দার্জিলিংয়ে যাওয়ার পথে বড় এক পাহাড়ের ঢালে নদীর কিনারে তিনি বাসা বাঁধলেন। একদিকে সুউচ্চ পাহাড়- ভূমি থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট ওপরে। অন্যদিকে তীব্র খরস্রোতা পাহাড়ী নদী-তিস্তা। কবিগুরুর বাসভবন থেকে কেউ যদি লাফ দিয়ে তিস্তায় ঝাঁপ দিতে চাইতো তবে কমপক্ষে ৩০০০ ফুট নীচে পড়ে ভর্তা হয়ে যেতো। সেই পতনের দৃশ্য কল্পনা করতে করতেই হয়তো তিনি রচিলেন বঙ্গমাতা কবিতা- "হে সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর বিমুগ্ধ জননী- রেখেছো বাঙালী করে মানুষ করোনি।
২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে গ্রেফতার হবার পূর্বে বঙ্গবন্ধুর মনে অনেক দুঃখ ছিলো। তিনি তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে বেশ কয়েকবার সেসব কথা বলেছেনও । একবার তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবার কথাও ভাবছিলেন। কিন্তু ৭১ এর উত্তাল মার্চের রক্তঝরা দিনগুলোতে তিনি বাঙালীর কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে ৭ মার্চ তারিখে বলে ফেললেন এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। তারপর ৭ তারিখ থেকে ২৫ তারিখ রাত পর্যন্ত বহু ঘটনা, অনুঘটনা, বহু চক্রান্ত আর কূটনীতির ফাঁদে তিনি একের পর এক আঘাত পেতে থাকলেন । ২৫শে মার্চ রাতে গ্রেফতার হলেন - আর ফিরে এলেন ১০ ই জানুয়ারী ১৯৭২ সালে। ঢাকা বিমান বন্দরে পা রেখেই তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলে ফেললেন- হে কবিগুরু- আপনি এসে দেখে যান - আপনার বাঙালী মানুষ হয়েছে।
বাঙালী কি মানুষ না কি অন্যকিছু - এই প্রশ্ন কিন্তু পৃথিবীর অন্যকোন জাতি করেনি। করেছে খোদ বাঙালীরাই। তাও আবার সাধারণ ভেতো বাঙালী নয়- বাঙালী মন ও মনশীলতার ধারক বাহকগণই প্রশ্ন তুলেছেন। এদেশে বাঙালীদের নিয়ে চলচিত্র হয় আর নাম দেয়া হয়- আবার তোরা মানুষ হ। কবিতার শিরোনাম হয় -কাঁদো বাঙালী কাঁদো। গত এক হাজার বছরের ইতিহাসে কোন শ্রেষ্ঠ বাঙালী এদেশে সুস্থভাবে মরতে পারেননি, বা থাকতে পারেননি। গত কয়েক শতাব্দীর অন্যতম প্রধান এবং শ্রেষ্ঠ বাঙালী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেষ জীবনে মনের দুঃখে বাঙালীদের ছেড়ে সাঁওতাল উপজাতিদের নিকট চলে গিয়েছিলেন। রাজা রাম মোহন রায় ও কবিগুরুর দাদা প্রিন্স দ্বারকনাথ ঠাকুরতো ভারতবর্ষই ত্যাগ করলেন এবং চলে গেলেন সুদুর ইউরোপে। তারা মারাও যান সেখানে।
সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে সুবে বাংলার দেওয়ান অর্থাৎ অর্থমন্ত্রী ছিলেন নবাব মুর্শিদকুলী খান। বাঙালী কুলাঙ্গার এবং কুলটাদের কবলে পড়ে তার জীবন এবং রাজকোষ দুইই মারাত্মক বিপদে পড়ে। তিনি সম্রাটের অনুমতি নিয়ে রাজস্ব বিভাগ ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তর করেন। ঢাকা ছাড়ার আগে বুড়ি গঙ্গার তীরে দাঁড়িয়ে তিনি চরম আক্ষেপে ৩ বার উচ্চারণ করেন- ইন্সানিয়াত ! ইন্সানিয়াত! ইন্সানিয়াত! আরো একজন রাজার কাহিনী বলে চলে যাবো আজকের শিরোনাম প্রসঙ্গে। ঘটনাটি হলো দ্বাদশ শতাব্দীর। তখন সুবে বাংলার রাজধানী হলো সোনারগাঁয়ে। রাজার নাম-সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ। এই ভূখন্ডের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময় ছিলো তার আমল। তিনি একবার চাইলেন- তাকে নিয়ে কেউ একটা উত্তম কবিতা রচনা করুক। রাজ্যময় হৈচৈ পড়ে গেলো। হাজার হাজার কবিতা রচনা হয়ে গেলো- অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই। সেসব কবিতার বহর, বর্ননা শৈলী এবং বক্তব্য শুনে ন্যয়পরায়ন এবং সদাশয় বাদশাহ বড়ই মর্মাহত হলেন । কোন কবিতার শিল্পমান তাকে সন্তুষ্ট করতে পারলো না। বরং অতি বর্ননা এবং বাড়াবাড়ি রকম প্রশংসার বহর দেখে তিনি যার পর নাই লজ্জিত হলেন। অবশেষে তিনি পারস্যের কবি হাফিজের নিকট একজন দূত প্রেরণ করে মনের দুঃখ জানালেন- কবি বাদশাহের জন্য সংক্ষেপে একটি কবিতা রচনা করে দিলেন। গত ৬শ বছর ধরে সেই কবিতাখানি তাবৎ দুনিয়ার কাব্য প্রেমী সমঝদার পাঠককুলকে কিভাবে প্রশান্তি দিয়ে আসছে তা ইতিহাসের পাঠকমাত্রই জানেন।
শিরোনামের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পূর্বে - এতো কথা বলার অর্থ হলো- সরকারী দল যা বলছে তা যেমন বাস্তবতা বহির্ভূত তেমনি বিরোধী দলের কথা বার্তাও অতিরঞ্জিত। প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল হাজার বছরের বাঙালীর চিরায়ত অভ্যাস অনুযায়ী এখন নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রাভঙ্গ করার কাজে ব্যস্ত। অন্যদিকে, একদল চাইছে- মাথা ব্যথার জন্য দেহ থেকে মাথাটিই কেটে ফেলার জন্য। ফলে সাধারন ভেতো বাঙালী পড়েছে মহা বিপদে। তারা বুঝতে পারছে না প্রকৃত ঘটনা কি ? আর এ কারনেই বাড়ছে আবেগ, উৎকণ্ঠা এবং অস্থিরতা। যদি প্রশ্ন করা হয় - দেশ কেমন চলছে তাহলে কয়জন বলবেন- বেশ ভালো চলছে! আল হামদুলিল্লাহ আমরা বেশ ভালো আছি। অথবা রাজনৈতিক অঙ্গনে যেসব অশনি সংকেত হঠাৎ হঠাৎ উকি ঝুঁকি দিচ্ছে তাতে কি কি লক্ষন সমূহ ফুঠে উঠেছে! সেগুলো কি ভালো ? আমি বলবো- অবশ্যই ভালো নয় অর্থাৎ লক্ষন সমূহ ভালো নয়।
ছোট কাল থেকে শুনে আসছি যা কিছু রটে-কিছু না কিছু বটে, সকালের সূর্য্য দেখে বোঝা যায় দিনটি কেমন যাবে, ঝড়ো হাওয়ায় সবকিছু লন্ডভন্ড হবার পূর্বে প্রকৃতিতে একধরনের নিরবতা বিরাজ করে এবং জমিনে যা কিছু ঘটবে তার আলামত আগে ভাগে মানুষের মুখে ফুটিয়ে তোলা হয়। আর এসব হয়ে থাকে প্রাকৃতিক নিয়মেই। বর্তমানের রাজনৈতিক অঙ্গনের রটনাগুলোর লক্ষন কিন্তু ভালো না। বিএনপি জোট থেকে বের হওয়া এক নেতা হঠাৎ করেই সাংবাদিকদেরকে বলে ফেললেন- আগামী জানুয়ারী মাসে সরকার পরিবর্তন হবে। তখন নাকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের দেশের কাকে কাকে ফোন দিবেন আর ওমনি সব কিছু ওলট পালট হয়ে যাবে ! এতো বড় একটি কথা তিনি বললেন অথচ রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষ থেকে একটি টু শব্দটি উচ্চারন করা হলো না।
সরকারের শরীক এবং প্রধানমমন্ত্রীর বিশেষ দূত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বললেন-ফেব্রুয়ারী / মার্চ মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। তিনি তার দলের সবাইকে প্রস্তুতি নেবার কথা বললেন। একদল বলছে সরকার নিজে থেকেই একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন দিবে অনেকটা ৫ই জানুয়ারী মার্কা সার্কাসের উন্নততর ভার্সন উদ্ভাবনের মাধ্যমে। বিএনপি ভেঙ্গে ফেলা হবে- দলটির বড় বড় রাঘব বোয়াল সরকারের কাঁধে পা দিয়ে হয় নতুন দল গঠন করবে নয়তো স্বতন্ত্র নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে সরকারের হাতকে শক্তিশালী করা হবে। সবচেয়ে বেশী গুজব হচ্ছে জামাতকে নিয়ে। বলা হচ্ছে জামাত নেতা ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করে সবকিছু পাকা পাকি করে ফেলেছেন। একটি চরম নাটকীয়তার মাধ্যমে জামাত বিএনপি ছেড়ে আসবে। সরকার রাজপথে জামাতকে ছাড় দিবে আর জামাতের নতুন নেতৃত্ব যুদ্ধাপরাধীদেরকে বাদ দিয়ে নতুন করে সংগঠিত হবে। জামাত অন্যতম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে হয়তো আদি নামে নয়তো নতুন কোন নামে আত্মপ্রকাশ করবে অনেকটা সরকারী মদদে।
এতোসব গুজব আর অবিশ্বাসের মধ্যে মন্দ খবর হচ্ছে-দেশে রপ্তানীর হার আশংকাজনক হারে কমে যাচ্ছে। মালয়েশিয়া, দুবাই, সৌদি আরবসহ অন্যান্য মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলিতে নতুন নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টিতে কোন সুখবর নেই। বরং অনেক শ্রমিক প্রতিদিন ফেরত আসছে। দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম না করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ফ্যাসাদ, ঝগড়া ঝাটি এবং মারামারি করছে। ফলে প্রকৃতির অনেক অবলুপ্ত প্রানীর মতো রাজনৈতিক দলগুলো আপনা আপনি অবলুপ্ত বা নিঃশেষ হতে চলেছে। প্রতিযোগীতা না থাকায় এই অঙ্গনের সবাই অলস, আয়েশী এবং হিংসুটে হয়ে পড়ছে। তাদের শরীর, মন, মানোষিকতা দিনকে দিন নির্জিব হতে চলেছে। ফলে রাজনীতির পরিবর্তে অরাজনৈতিক শক্তি দিনকে দিন সংগঠিত হবার সুযোগ পাচ্ছে।
রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সবচেয়ে মন্দ খবর হলো রক্ষকের ভক্ষক হয়ে যাবার প্রবণতা। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দূর্নীতি, অবাধ্যতা, নীতিহীন কর্মকান্ড, অলসতা, অকর্মন্যতা, দুষ্টের পালন, শিষ্টের দমন, মেধাহীন ও চরিত্রহীনদের দাপট এবং সব সময় অহংকার ও উদ্ধত আচরণ স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধেছে। জনগনের আস্থা, ভালোবাসা আর বিশ্বাসের আশ্রয়স্থল হিসেবে মর্যাদা পাচ্ছে এমন কোন সরকারী অফিসের নাম কেউ বলতে পারবে না। ২/১ টা প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা সভা-সমিতি, টকশো, কিংবা সেমিনারে বলা হয় অনেকটা অভ্যাসের বসে- হয়তো ভয়ে নয়তো দালালীর জন্যে। এ অবস্থায় মানুষ অনেকটাই দিশেহারা হয়ে পড়েছে নানাবিধ অজানা আশংকায়।
গত কিছুদিন যাবৎ দেশ বিদেশের নামকরা পত্র পত্রিকায় শরীর শিউরে উঠা নানা খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে ভয়ঙ্কর শীর্ষ খবরটি হলো বাংলাদেশের দুই নেত্রীকে মেরে ফেলার জন্য ভারতের পশ্চিম বঙ্গে জঙ্গীদের সংগঠিত হবার সংবাদ। ইতিমধ্যে মহিলাসহ কয়েক জঙ্গী ধরা পড়েছে। তাদের জবানবন্দীতে যেসব ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে তাতে আশংকিত না হবার কোন কারণ নেই। এমনিতেই ভারতীয় উলফা এবং আমাদের সীমান্তবর্তী ৭টি ভারতীয় রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গীরা নানা কারণে আওয়ামীলীগের ওপর ক্ষেপে আছে। এসব জঙ্গী গ্র“প বহু বছর যাবৎ দিল্লীর ঘুম হারাম করে রেখেছে। তারা যদি তাদের সেইসব কুকর্মের কিয়দাংশ বাংলাদেশের ভূমিতে মহড়া দিতে আরম্ভ করে তবে বাদশাহ হুমায়ুনের বর্নিত দোযখপুর জান্নাত হতে খুব বেশী সময় লাগবে না।
প্রলয় যখন দ্বারপ্রান্তে তখন নিরো যেমন বাঁশি বাজিয়েছিলো তেমনি আমাদের রাজনীতিবিদরাও দেশবাসীকে হ্যামিলনের বংশী বাদকের মতো মিথ্যার ফুলঝুরির বাঁশরীর সুরে নিয়ে যাচ্ছে এক সীমাহীন ধ্বংশের অতলান্তের দিকে-কাজেই সাধু সাবধান! কারণ লক্ষনগুলো কিন্তু ভালো মনে হচ্ছে না।

সূত্র: ফেসবুক

মন্তব্য :



প্রকাশক: মোহাম্মদ কামরুজ্জামান,সম্পাদক: খায়রুল হাসান

নির্বাহী সম্পাদক: ইকবাল হোসেন ভূইয়া

বার্তা সম্পাদক: মোঃ সালেহ আকরাম (মেরিন)

যোগাযোগ: 54/1, নদ্দা-বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-1212

 ফোন:02-8419040-41, মোবাইল: +88 01723 204846

ইমেল: crimeflashbd@gmail.com