ইমেইল : info@crime-flash.com



» মতামত ও কলাম

Friday 30th of December 2016 অ- অ+

কোনো এক (ভাগ্য বিড়ম্বিত মহানায়ক) রাগীব আলীর কেচ্ছা

--বিকাশ হালদার, কোলকাতা, ভারত

আমি একজন ভারতীয় নাগরিক। এদেশেই আমার জন্ম। বেড়ে ওঠা , শিক্ষালাভ, কর্মজীবন- সবই এদেশে।
বাংলাদেশ আমার পূর্বপুরুষের ভিটেভূমি ।
জন্মের পর বাবার সাথে এবং একা, গেছি আমার পূর্বপুরুষের মাটিতে (খুলনা জেলা) বেশ কয়েকবার।
কিন্তু, এমন কোন সকাল নেই যে সকালে আমি বাংলাদেশের খবর না নিই। ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে (খালি পেটে) যে প্রথম অমর্ত্য খাবার আমি গ্রহন করি, তা বাংলাদেশের হালচাল।
রাজনৈতিক ও ভুগোলিক সীমারেখা আমার বুদ্ধি মেনে নিলেও; মন কখনোই মেনে নিতে পারেনি-পারেনা।
সেদিন, ফেইসবুকে চোখে পড়লো এক সংবাদ শিরোনাম -“রাগীব আলী : ভাগ্য বিড়ম্বিত এক মহানায়ক“ সিলেট এক্সপ্রেস নামের এক পত্রিকায় (online) প্রকাশিত এক প্রবন্ধ। লেখক, কবি এবং আইনজীবী মিঃ আব্দুল মুকিত অপি।
শ্রী অপি লিখেছেন, “রাগীব আলী আজ আর শুধু একটি নাম নয়, একটি কিংবদন্তী। এই নামটি মানুষ আজ অনেক ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে। সিলেট নগরীতে পাবলিক যানবাহন যারা নিয়মিত চড়েন, তারা প্রায়ই শুনে থাকবেন‘এই যে যাবে নাকি রাগীব আলী” কোন একটি রাস্তার নাম এক ব্যক্তির নামে হলেই তিনি কিংবদন্তী(?) প্রথমেই কি বিষয়টি অত্যুক্তি হয়ে গেল না (?!)
তারপর আপনি বলছেন, “সন্তানের বড় বায়নাকে অনেক মা-বাবা প্রতিহত করতে গিয়ে বলেন‘তুমিতো আর রাগীব আলীর ছেলে না’” এ’ কথার মর্ম কি ? এইকি যে, বড় বায়না ধরার পূর্ব –যোগ্যতা (pre-qualification) হতে হবে যে, সকল সন্তানকে মিঃ রাগীবের সন্তান হয়ে জন্মাতে হবে (?)
মসজিদের কোন এক সন্মানীত ইমাম সাহেব এ’ধরনের নীচু মানসিকতার পরিচয় দিতে পারেন, ভাবতেও লজ্জা হয়। আপনি লিখেছেন, "আমার পাড়ার মসজিদে একবার রমজান মাসে ফিতরার পরিমান মুসল্লীদের বুঝাতে গিয়ে ইমাম সাহেব বললেন‘আর যারা রাগীব আলীর মতো ধনী তাদের জন্য ...টাকা।’ লোকমুখে প্রচলিত একটি ছড়া আজ নতুন রূপে লোকজন বলে‘হাওর কইলে হাকালুকি / আর সব কুয়া / ব্যাটা কইলে রাগীব আলী / আর সব পুয়া” মসজিদ আল্লাহ্র ইবাদতের স্থান। বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক। সেই পবিত্র ঘরে বসে কোন এক জ্ঞানহীনঈমাম সাহেব যদিও বা এ’ধরনের কান্ড-জ্ঞানহীন কথা বলেও থাকেন, মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ছিল এ’কথার ওপর চাদর ঢেকে দে’য়া; প্রচার করা নয়।
আপনি বলেছেন, “তার সাথে যারা মিশেছেন, কাছে থেকে তারা দেখেছেন তার হৃদয়ের প্রসারতা। সবসময় তার সঙ্গী যেসব অসহায় শিশু-কিশোরেরা তিনি কখনোই তাদেরকে আলাদা চোখে দেখেন না। নিজের বাসাতে তো বটেই, বাইরে যে কোন অনুষ্ঠানে গেলেও তিনি তাদের নিয়েএকসাথে খাবার গ্রহণ করেন। তার সামনে গেলে অবাক হয়ে শুধু ভাবতেই হয় ,কী করে এতো বড় একজন মানুষ এতো সাধারণ হয়ে থাকেন। কী করে একটা মানুষ এতো এতো আলো জড়ো করতে পারেন এক জীবনে” আপনি বলছেন ঐ রাগীব আলীর বাড়ীতে যে সকল “ক্রীতদাস” শিশুরা কাজ করেন, সেই শিশুদের তিনি সন্তানের মতো দেখেন (?) তাহলে আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি ঐ দুষ্টু বুড়োর বাড়ীতে আপনি কখনো যাননি।
লিখে নিন, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫। সময় সকাল সাড়ে দশটা। এক ভাগ্যহত যুবক দুর্ভাগ্যঃবশত যান “মহানায়ক” রাগীব আলীর বাড়ীতে চাকুরির সন্ধানে। ভদ্রলোক মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়েছেন ভূগোলে (geography) । নিশ্চয়ই বহু কষ্টে পান ঐ ভদ্রলোক রাগীবের সাথে এপইন্টমেন্ট (?) কিন্তু,কি বললেন আপনার সেই মহানায়ক শুনবেন ? বললেন, Geography তে মাস্টার্স করলে একটাই যোগ্যতা হয়; গ্রামে গিয়ে হালচাষ করা। যাও, চাকরির আশা বাদ দিয়ে গ্রামে গিয়ে সেই কাজ করো! আরও বললেন, যে কালা সুরাত তোমার, কে দেবে তোমারে চাকরি(?) ভাবছেন আমি ঐবৃদ্ধ-লোকটিকে Defame করার জন্য এ’কথা বলছি (?) জিজ্ঞেস করে দেখুন তাঁকে আমি যা বলছি তা সঠিক না বেঠিক (?) এখনও তিনার স্মৃতিশক্তি এতোটা লোপ পেয়েছে বলে আমার মনে হয়না। সহজেই মনে করতে পারবেন সেদিনের সেই কুকর্মের কথা।
যদি ভূগোলে উচ্চশিক্ষা লাভ করে এ’ভাবে এক প্রায়-মূর্খ (Near illiterate) লোকের কাছে এ’ভাবে অপমানিত হতে হয়, এর চাইতে মৃত্যুও ঢের ভালো।
ভাবছেন, আমি কি করে জানি এতো অন্দরমহলের খবর (?)
অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে; তবুও আমি উদ্ধৃতি দিতে চাই। আশির দশকে হিন্দি এক ফিল্ম অসামান্য জনপ্রিয়তা পায়। ফিল্মটির নাম লাওয়ারিশ। লাওয়ারিশ ফিল্মে একটি গান আছে যার কয়েকটি পঙ্কতি আমি তুলে ধরতে চাই। যুল্ম ইনসানকা যাব হাদসে গুযার জাতাহে, ভো কিসি ওর হিসুরাতমে পাস আতাহে, আন-গিনাত রুপমে ভো হামসে মিলা হ্যা ইয়ারো
অত্যাচার বা যুল্ম যখন সীমা অতিক্রম করে, তিনি অন্য এক রূপে আমাদের কাছে আসেন। বহু রূপে তিনি সাক্ষাৎ দেন আমাদের সাথে।
মনে রাখবেন, প্রকৃতি তাঁর প্রতিশোধ মিয়ে নেবেই; যদি কেউ প্রকৃতির নিয়ম ভঙ্গ করেন। রাগীব প্রকৃতির রিমান্ডে আছেন। সেই রিমান্ড থেকে মুক্তি চেয়ে আপনি নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন না।
আপনি উদ্ধৃতি দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার তাঁর সম্পর্কে কি বলেছেন। “You have certainly acted most charitably towards those less fortunate than yourself and a great many people have benifited from your kind and worthwhile endeavours to improve their lives.You set an outstanding example,which I trust that others might follow”
টনি ব্লেয়ার কি স্ব-উদ্যোগে, স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এ’ কথা গুলো বলেছেন রাগীবের কর্মকাণ্ডে অভিভূত হয়ে (?) নাকি কোন এক সভায় তাঁকে চীফগেস্ট করা হলে ফরমালি তিনি কথাগুলো বলেন (?) এবং কথাগুলো নিঃসন্দেহে তথ্যভিত্তিক; মানে রাগীব সম্পর্কে তাঁকে যা বলা হয়েছে তার ভিত্তিতে কথাগুলো বলেছেন টনি। তারপরও, টনি বলেন, You set an outstanding example, which I trust that others might follow. টনির বিশ্বাস, অন্যেরা তাঁর এই পথকে অনুসরন করবেন। টনি কি জানেন রাগীবের আসল চেহারা (?) জানা সম্ভবও না। তাছাড়া, টনির এই বক্তব্য কি প্রমান করে? যে, রাগীবআলী একজন নিষ্কলঙ্ক মানব(?) টনিকে তাঁর কলঙ্কের কথা বলেনি কেও।

আপনি বলেছেন, “রাগীব আলী সবসময়ই সৃজনশীল মানুষদের ভালোবাসেন,শ্রদ্ধা করেন। লেখক-কবিদের প্রতি তার রয়েছে অগাধ ভালোবাসা। গণমানুষের কবি দিলওয়ারকে প্রায় বিশ বছর আগে সম্মান জানিয়ে তার বাংলোয় দাওয়াত করে নিয়েছেন, সারাদিন একসাথেকাটিয়েছেন। এবছরের সাতাশ ফেব্রুয়ারি রাগীব-রাবেয়া সাহিত্য পুরস্কার ও একুশে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলা সাহিত্যের বর্তমান অন্যতম প্রধান কবি আসাদ চৌধরীকে প্রধান অতিথি করে এনেছেন। সাথে ছিলেন সঙ্গীতঙ্গ ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। লেখক-কবিদের নিজ মাতৃভূমিদেখাতে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন নিজ গ্রাম কামালবাজারের রাগীবনগরে। ১৯৯৮ সাল থেকে রাগীব-রাবেয়া সাহিত্য পুরস্কারের মাধ্যমে দানবীর ড.রাগীব আলী বৃহত্তর সিলেটের লেখক-কবিদের সম্মান জানিয়ে আসছেন। এপর্যন্ত ৩৪ জন কৃতী লেখক-কবি-সাহিত্যিক এপুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এদের মধ্যে আছেন জাতীয় অধ্যাপক দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ,অধ্যাপক শাহেদ আলী,গণমানুষের কবি দিলওয়ার,বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম। ২০১০ সাল থেকে একুশে সম্মাননা প্রবর্তনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা কৃতীমানুষদের সম্মান জানাচ্ছেন তিনি। এ পর্যন্ত ৪৫ জন কৃতী ব্যক্তিত্ব এই সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্যশিল্পী সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ,মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী, সঙ্গীতঙ্গ হিমাংশু বিশ্বাস,শিল্পী অরবিন্দ দাশগুপ্ত,স্থপতি শাকুর মজিদ”
রাগীব নিঃসন্দেহে একজন দক্ষ ব্যবসায়ী। তিনি খুব ভালো ভাবেই জানেন, বৃহৎ ব্যবসায়ে সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণের উপকারিতা। আমি বলছিনা যে, ব্যবসা পরিচালনার সুবিধার্থে সমাজকল্যাণের খোলস মন্দ কিছু, কিন্তু, পবিত্র মন নিয়ে, স্বার্থহীন ভাবে তিনি দান করেন এ’ ভাবনা আমাদের বোকা হিসেবে এস্টাব্লিশ করবে শুধুই। দুজন ব্যক্তির নাম আপনি উল্লেখ করেছেন, আসাদ চৌধুরী ও সালেহ চৌধুরী। দু’জন মানুষই সিলেট ও বরিশালের অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। সালেহ চৌধুরী এমন একজন মানুষ, স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের সাথে লড়বার পরেও ঐ ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোন সুযোগ নিতে কুণ্ঠা বোধ করেন। আর আসাদ চৌধুরী (?) যদি জানতেন যে, কোন কু-মতলবে রাগীব তাঁকে সন্মানীত করছেন, আমি নিশ্চিত শ্রী আসাদ চৌধুরী সেই পুরস্কার গ্রহন থেকে হাজার মাইল দুরে থাকতেন। আসাদ চৌধুরীরা মহান মানব। কোন এক অশিক্ষিত নীচ তলার মানুষ সাফল্য পেয়ে “ভালো” কোন উদ্যোগ নিলে, আসাদেরা সেটিকে প্রশংসার নজরে দেখেন; ওঁদের উৎসাহিত করেন।। বিশ্বাস করুন, আসাদ চৌধুরীর মত লোকের পাশে রাগীবের মতো লোক বসতে পেরেছেন, এটি তাঁর কপাল।
চমৎকার একটা বিষয় উল্লেখ করেছেন আপনি, “রাগীব আলী তার সারাজীবনের অর্থ-বিত্তকে কখনোই নিজ ভোগ- বিলাসিতায় ব্যবহার করেন নি। অতি সাধারণ পোষাক তিনি নিয়মিত পরেন,কথা বলেন অতি সাধারণ একটি মোবাইল ফোন দিয়ে” আসলেই তাই, রাগীবের বাড়ীতে গেলে তিনি আপনাকে চা খেতে দেবেন। ছোট্ট এক পেয়ালায়, দুধ ছাড়া, এবং বাজারের সব চাইতে কম মুল্যের বিস্কুট গুনে গুনে কয়েকটা দিতে পারেন আপনাকে। উল্লেখ্য, ঐ ভূগোল সাহেবের কপালে তাও জোটেনি।
আপনি বলেছেন, “ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের শিকার হয়ে তিনি আজ কারাগারের অন্ধ কুটুরিতে বসবাস করছেন। সঙ্গে তার প্রাণাধিক প্রিয় একমাত্র পুত্র আব্দুল হাই। নিজের বার্ধক্যের দুর্বলতা আর ছেলের অসুস্থতা চিন্তায় তার বিচলিত চেহারার কথা একবার ভাবলে মনটা ভার হয়ে যায় । বিচারের রায় ঘোষণার আগেই প্রায় আশি বছর বয়েসি একজন মানুষ শীতের এই দিনরাত কাটাচ্ছেন জেলে। কিন্তু তিনি যদি আজ কারাগারের বাইরে থাকতেন, তাহলে আমরা জানি দেশের কয়েক হাজার মানুষের শরীর উষ্ণ হতো রাগীব আলীর দেয়া কম্বলের উত্তাপে” কেনএ জাতিকে আপনি স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও চাইছেন যে ওঁরা কোন এক প্রতারক রাগীবের দ্বারস্থ হবেন (?) তিনি দেবোত্তর সম্পত্তি কূটকৌশলে গ্রাস করেছেন। তিনি একজন সুযোগ সন্ধানী চতুর মুনাফালোভী ছাড়া কিছুই নন। রাগীব মানবতার শত্রু। সনাতন বিশ্বাসী কেউ তাঁর সর্বস্ব দান করে যান পরকালের আশায়, রাগীব সেই সম্পত্তিকে দখল করে মুনাফা লুটেছেন। তিনি কোন বিশেষ ধর্মের শত্রু নন; বিশ্ব মানবতার শত্রু।
আপনি বলেছেন, “রাগীব আলীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো এখন বিচারাধীন । তিনি খুনের মামলার আসামী নয় । তিনি রাষ্ট্রদ্রোহীও নয় । হলমার্ক-ডেসটিনির মতো বিশাল কেলেঙ্কারিও করেন নি তিনি ।
রাষ্ট্রকে তিনি কী দিয়েছেন সে হিসেব কেউ কষছে না একবারও। জামিনের প্রাপ্য সুযোগটাও এখন পিতা-পুত্রের কাছে নিদারুণ দুঃস্বপ্ন । অবশ্য একই মামলার অভিযুক্ত আসামী পংকজ গুপ্ত জামিন পেয়েছেন জেল না খেটেই”
আপনি একজন আইনজীবী। অন্য দশ জনের থেকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বেশী থাকবে এটাই বাঞ্ছনীয়।“একই মামলার অভিযুক্ত আসামী পংকজ গুপ্ত জামিন পেয়েছেন জেল না খেটেই” যদি পঙ্কজ নামের ঐ ভদ্রলোক জামিন পেয়ে থাকেন, সেটি তিনি পেয়েছেন কারন হাকিম বিষয়টিকেজামিন যোগ্য মনে করেছেন। আপনি কি Judge’s discretion কে চ্যালেঞ্জ করছেন না (?) যদিও তা না ভেবেই হয়তো করেছেন আপনি।
আপনি কি জানেন যে, নির্বাচিত এই সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন রাগীব (?) ভাবছেন, এতোকিছু কিভাবে জানি আমি (?)
রাগীব অতি অহঙ্কারের বশবর্তী হয়ে, বর্তমান সরকার, প্রধান-মন্ত্রীকে অতি তাচ্ছিল্যের ভাষায় যা-তা বলে বেড়াচ্ছিলেন। তাঁর অহঙ্কার তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। কিসসু করতে পারবেনা তাঁকে এদেশের সরকার বা বিচার ব্যবস্থা। এহেন অহঙ্কার তিনি দেখাচ্ছিলেন প্রকাশ্যে।
বিশ্বাস করুন, কেউ তাঁকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেনা। হ্যা, প্রতিশোধের আগুনে পুড়ছেন তিনি। কিসের প্রতিশোধ (?) প্রকৃতির।
যদি কারাগারের কোঠরিতে বাকী জীবন পার করতে হয় তাঁকে, তবে তারই মঙ্গল। কিছুটা পাপ হয়তো তাঁর মোচন হবে (?)

লেখক : বিকাশ হালদার, মানবাধিকার কর্মী
কলকাতা, ই-মেইল: bikash.halder14@gmail.com

মন্তব্য :



প্রকাশক: মোহাম্মদ কামরুজ্জামান,সম্পাদক: খায়রুল হাসান

নির্বাহী সম্পাদক: ইকবাল হোসেন ভূইয়া

বার্তা সম্পাদক: মোঃ সালেহ আকরাম (মেরিন)

যোগাযোগ: 54/1, নদ্দা-বারিধারা, গুলশান, ঢাকা-1212

 ফোন:02-8419040-41, মোবাইল: +88 01723 204846

ইমেল: crimeflashbd@gmail.com